Home / How to Draw Trend Lines

How to Draw Trend Lines

⇒ ট্রেন্ডলাইন কিভাবে সঠিকভাবে অঙ্কন করতে হয়?

ট্রেন্ড ট্রেডিঙের পেছনে যুক্তি

⇒ আমি কীভাবে ট্রেন্ডের সুবিধা গ্রহণ করব?

 

ট্রেন্ডলাইন কিভাবে সঠিকভাবে অঙ্কন করতে হয়?

ট্রেন্ডলাইন টেকনিক্যাল অ্যানালিসিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্যুলের মধ্যে একটি। অন্যান্য জটিল ট্যুল ব্যবহার করতে গিয়ে একে অবহেলা করবেন না, কারণ ট্রেন্ডলাইন ট্রেডের জন্য খুবই সহায়ক হতে পারে।
ট্রেন্ডলাইন ড্র করার মূল সুবিধা হচ্ছে চার্টকে পরিষ্কারভাবে দেখা। ট্রেডে সফলতা পেতে, চার্টে প্রাপ্ত তথ্য আপনাকে ব্যবহার করতে জানতে হবে, দরকারবিহীন তথ্য থেকে একে আলাদা করতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগাতে হবে। ট্রেন্ডলাইন অ্যানালাইজ করলে আপনাকে তা অন্য ফর্মেশন পেতে এবং সঠিক ট্রেডের সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।
চার্টে একাধিক ট্রেন্ডলাইন অঙ্কন করা সম্ভব, কিন্তু বেশী লাইন আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। আপনার লক্ষ্য থাকবে সবচেয়ে স্পষ্ট লাইন নির্বাচন করা এবং তা ড্র করা। ট্রেন্ডলাইন যদি সুস্পষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে অনেক ট্রেডার, যাদের মধ্যে স্পেকুলেটররাও রয়েছে, তারাও এটা লক্ষ্য করবে। এর ফলে, এই লাইনের কারেন্সি পেয়ারের মুভমেন্ট ধরে রাখার সম্ভাবনা বেশী থাকবে।
ট্রেন্ডলাইনের ২টি বৈশিষ্ট্য রয়েছেঃ
* প্রাইসে কমপক্ষে ২টি ইন্টারসেকশন
* ঝোঁক (লাইন সমান্তরাল নয়)।

প্রাইস ট্রেন্ডলাইনকে যতোবার ছুঁয়ে যাবে, ট্রেন্ড ততো শক্তিশালী ধরা হবে। ট্রেন্ডলাইনের কোণের দিকে লক্ষ্য রাখবেন। এটা যদি ৩০ ডিগ্রির কম হয়ে থাকে, তাহলে ট্রেন্ড খুব খাড়া এবং অস্থিতিশীল। ট্রেন্ডের কোন যদি ৪৫ ডিগ্রি অতিক্রম করে তাহলে তা ভালো। অন্য কথায়, দ্বিতীয় পয়েন্ট যেখান থেকে আমরা ট্রেন্ডলাইন ড্র করি তা প্রথমটির থেকে ২০-৩০ ক্যান্ডেলের দূরত্বে থাকবে।
ট্রেন্ডলাইন যেকোনো টাইমফ্রেমে ব্যবহার করা যায়, কিন্তু ১৫ মিনিট বা তার বেশী চার্টে ব্যাবহার করা ভালো।
ট্রেন্ড চ্যানেল
মাঝে মাঝে আপনি ট্রেন্ডলাইনের সহায়তায় কোন মুভ ক্লোন করতে পারেন, তাই ক্লোন করা লাইন প্রথমটির সাথে সমান্তরাল থাকবে এবং অন্য দিকের ট্রেন্ডকে সীমাবদ্ধ করবে, তাই যখন কোন পেয়ারের একটি হাই’তে গেলে অন্যদিকে সেটির লো’কে সংযুক্ত করবে। এটাকে ট্রেন্ড চ্যানেল বলা হয়।
লক্ষ্য করবেন যে আপট্রেন্ডে মূল লাইন লো’কে (সাপোর্ট লাইন) সংযুক্ত করবে, আর ডাউনট্রেন্ড যখন চলবে, তখন তা প্রাইসের হাই’কে (রেজিস্ট্যান্স লাইন) সংযুক্ত করবে। চ্যানেল ট্রেডারদের ট্রেন্ডের মধ্যে থাকতে সহায়তা করে।

ট্রেন্ড ট্রেডিঙের পেছনে যুক্তি

ট্রেন্ড ওঠা/নামার সময় ট্রেন্ডের ডায়রেকশনে পজিশন ওপেন করা ভালো। ট্রেডাররা প্রায়ই বলে থাকে যে, ট্রেডার হচ্ছে তোমার ফ্রেন্ড। অন্য কথায়, আপট্রেন্ডের সময় যদি প্রাইস সাপোর্ট লাইনে গিয়ে পৌঁছায়, তাহলে এই সম্ভাবনা রয়েছে যে, এটা আবার উপরে এবং রেজিস্ট্যান্সের দিকে যাবে। তাই ট্রেন্ডলাইনের সাপোর্ট হচ্ছে বুলিশ পজিশন ওপেনের জন্য ভালো একটি জায়গা। আপট্রেন্ডে বাই এবং ডাউনট্রেন্ডে সেলকে বলা হয় ট্রেন্ড ট্রেডিং।
এখানে লক্ষ্য থাকে যে ট্রেন্ডের প্রথম দিকে এন্ট্রি নেয়া যাতে সেই ট্রেন্ড থেকে সর্বোচ্চ লাভ নিয়ে নেয়া যায়।
কাজকর্মের প্রক্রিয়া
*প্রাইস অ্যাকশন এবং টেকনিক্যাল ইনডিকেটরের মাধ্যমে ট্রেন্ড নির্ধারণ করুন।
*এন্ট্রির পরিকল্পনা করুন- রেজিস্ট্যান্স ব্রেক বাইয়ের চেয়ে সাপোর্টে রিট্রেসের সময় বাই করা কম ঝুঁকিপূর্ণ।
*লসকে সীমাবদ্ধ করা- যেমন, পূর্বের হায়ার লো’য়ের নিচে স্টপ লস দিন।
*লাভ নির্ধারণ করুন- টেক প্রফিট স্টপ লসকে অতিক্রম করতে হবে।
সিস্টেম মত ট্রেন্ড আঁকবেন। নিজের মন মত জোর করে ট্রেন্ড আঁকলে কোন ফলই হবেনা। খাড়া উপরের দিকে বা নিচের দিকে স্পাইকগুলা কোন ট্রেন্ড নির্দেশনা দেয়না। ট্রেন্ড এ নিউজ স্পাইকের কোন গুরুত্ব নেই। তাই ট্রেন্ড লাইন আকার সময় নিউজ ইফেক্ট এর লম্বা লম্বা বাঁশ এর মত স্পাইকগুলা ধরার দরকার নেই। এগুলা কোন ট্রেন্ডের অংশনা এগুলা ট্রেডারদের বাঁশ দেয়ার ক্যান্ডেল।

মনে রাখবেন যে কাউন্টার ট্রেন্ড ট্রেড করাটা ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রফেশনালের দক্ষতা এবং ফরেক্সে প্রচুর পরিমাণের অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়।

আমি কীভাবে ট্রেন্ডের সুবিধা গ্রহণ করব?

যারা বুদ্ধিমান তারা ট্রেন্ড থেকেই কিন্তু প্রফিট নেয় ট্রেন্ডের সাথে থেকেই। আপট্রেন্ডে বাই ছাড়া কখনো সেল দিবেনা তারা। ডাউনট্রেন্ডে সেল ছাড়া বাই কখনো দিবেনা তারা। আর স্কাল্পাররা ছাড়া লংটার্ম ট্রেডাররা কখনো সাইডওয়েতে ট্রেড পছন্দ করেন না।
ট্রেন্ড খুঁজতে হলে আপনাকে অবশ্যই হায়ার টাইমফ্রেমেই খুঁজতে হবে। লোয়ার টাইমফ্রেমে আপনি ট্রেন্ড এর কনফার্মেশন পাবেন না।
এখন আসেন ট্রেন্ড এ এন্ট্রি কীভাবে নিবেন? হ্যাঁ সেটা কিন্তু আসলে আপনাকে টেকনিক্যালিই বুঝতে হবে। নরমালি আপট্রেন্ডে সাপোর্ট থেকেই এন্ট্রি নেয়া হয়। আর ডাউনট্রেন্ডে রেজিস্টান্স থেকেই এন্ট্রি নেয়া হয়। তার সাথে আপনাকে সাপোর্ট রেজিস্ট্যান্স, পিভট, ফিবোনাসি রিট্রেসমেন্ট এগুলো অবশ্যই বুঝতে হবে।
আমাদের অনেকেরই একটা অভ্যাস আছে যে মার্কেট কিছুটা আপ হলেই সেল দিয়ে দেই। আর কিছুটা ডাউন হলেই বাই দিয়ে দেই। এটা কিন্তু ট্রেন্ডি মার্কেটে বিপদজনক যদি আপনার এন্ট্রিটা বিপরীতে পড়ে যায়। আপট্রেন্ডে কখনো সেল দেয়ার চেষ্টা করবেন না। ডাউনট্রেন্ডে কখনো বাই দেয়ার চেষ্টা করবেন না।

Language »