Home / Position Size & Risk

Position Size & Risk

⇒ পজিশন সাইজ, ঝুঁকির মাত্রা

⇒ কীভাবে আমি ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারব যে দাম চড়বে না পড়বে?

⇒ কীভাবে অনুমান করবো যে এক্সচেঞ্জ রেট কথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

 

পজিশন সাইজ, ঝুঁকির মাত্রা


ধরুন আপনি $১,০০০ ডিপোজিট করলেন আর তা দিয়ে আপনি ট্রেড করতে চান। আপনি কি সম্পূর্ণ অর্থ দিয়ে একবারে ট্রেড করবেন? হয়তো না, তো, কি ধরনের পজিশন সাইজ বেছে নেবেন আপনি?
ধাপ ১. একটি ট্রেডে ডিপোজিটের ১-২% এর বেশী ঝুঁকি নেবেন না। এভাবে যদিও আপনার কিছু ট্রেড অসফল হয়ে থাকে, আপনি সব অর্থ হারাবেন না এবং পরবর্তীতে ট্রেড করতে সক্ষম হবেন।
যেমন, আপনি যদি $১,০০০ ডিপোজিট করে থাকেন, আর প্রতি ট্রেডে যদি $১০ (অ্যাকাউন্টের ১%) এর বেশী ঝুঁকি না নেন।
ধাপ ২. স্টপ লস কোথায় হবে তা নির্ধারণ করুন। তারপর আপনার এন্ট্রি প্রাইস থেকে পিপ হিসেবে দূরত্ব গণনা করুন। এটা হচ্ছে সেই পরিমাণ যা আপনি ঝুঁকি নেবেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে, এবং ধাপ ১ থেকে অ্যাকাউন্টে ঝুঁকির ভিত্তিতে, উপযুক্ত পজিশন সাইজ গণনা করুন।
যেমন, আপনি EUR/USD বাই করতে চান ১.১১০০ প্রাইসে এবং স্টপ লস দেবেন ১.১০৫০ তে। এই ট্রেডে ঝুঁকি হচ্ছে ৫০ পিপ, এবং আপনি $১০ এর ঝুঁকি নিতে পারবেন।
ধাপ ৩. আর এখন আপনার পজিশন সাইজ হবে অ্যাকাউন্টের ঝুঁকি এবং ট্রেডের ঝুঁকির ভিত্তিতে। মনে রাখবেন লট সাইজ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। ১,০০০ (মাইক্রো) লট হচ্ছে $০.১ পিপ মুভমেন্টের সমান, ১০,০০০ (মিনি) লট হচ্ছে $১ এর সমান, এবং ১০০,০০০ (স্ট্যান্ডার্ড) লট হচ্ছে $১০ পিপ মুভমেন্টের সমান। এটা সকল পেয়ারে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে ইউএসডি দ্বিতীয় হিসেবে তালিকাভুক্ত, যেমন EUR/USD । ইউএসডি যদি ২ হিসেবে তালিকাভুক্ত না হয়ে থাকে, তাহলে পিপ ভ্যালু একটু ভিন্ন হবে। লক্ষ্য করবেন যে স্ট্যান্ডার্ড লটে ট্রেডিং শুধু প্রফেশনাল ট্রেডারদের জন্যই উপযুক্ত।
পিপ ভ্যালু = লট হিসেবে পজিশন সাইজ।এই সূত্রটি ব্যবহার করুনঃ অ্যাকাউন্টের ঝুঁকি/ট্রেডের ঝুঁকি
$০.১ = $১০/$৫ = ২ মাইক্রো লট। এই পজিশনের সাইজ মাইক্রো লটে ছিলো কারন পিপ ভ্যালু মাইক্রো লটে গণনা করা হয়েছিলো।
EUR/USD তে ৫০ পিপ স্টপ লস ধরলে, পজিশনটি হচ্ছেঃ $১০/৫০
$৫ = $১০/$৫০ = ০.২ মিনি লট।মিনি লটে গণনা করতে ০.১ এর পরিবর্তে $১ গণনায় ব্যবহার করুন, ১ মিনি লট পেতে $১০/৫০
$১ = $১০/$২০ = ০.৫ মিনি লট, অথবা ৫ মাইক্রো লট।ভিন্ন ট্রেডে ভিন্ন ধরনের পিপ ঝুঁকি হিসেবে ব্যবহার করবেন, তাই আপনার পরবর্তী ট্রেডে হয়তো ২০ পিপ স্টপ ব্যবহার করতে পারেন। এই সূত্রটি ব্যবহার করুনঃ $১০/২০

কীভাবে আমি ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারব যে দাম চড়বে না পড়বে?

নবিশ হিসাবে আপনি দামের সাধারণ দিশা ট্র্যাক করতে পারবেন চার্টে এবং বাই অর্ডার ওপেন করতে পারবেন যখন সেটির দাম বেশি হয় এবং সেল অর্ডার ওপেন করতে পারবেন যখন দাম কমে যায়। এটি হয়ত সব ক্ষেত্রে নিশ্চিত করবে না আপনার লাভ; কিন্তু এটি হল আপনার কৌশল বিকাশ করার জন্য দারুন আরম্ভ।
যদি আপনার অল্প বা কোনো অভিজ্ঞতা না থাকে, এটি ভালো হবে যদি আপনি প্রধান খবর প্রকাশের সময় অর্থাৎ নিউজের সময় ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ এই সময়ে বাজার খুবই অস্থির থাকে। দামের ভবিষ্যদ্বাণী করার দুটি উন্নত পদ্ধতি হল টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ এবং ফান্ডামেন্টাল বিশ্লেষণ। প্রাথমিক ঝুঁকি পরিচালনা পদ্ধতি এছাড়াও সুবিধাজনক হতে পারে ক্ষতি কমাতে।
কীভাবে আমি লাভ করব?
অনেকগুলি কৌশল আছে যা আপনাকে সাহায্য করবে মুদ্রার দামের ওঠাপড়া থেকে লাভ করতে, উদাহরণস্বরূপ স্ক্যাল্পিং, মার্টিনগেল, হেজিং, নিউজ ট্রেডিং এবং আরও অনেক কিছু।
বিকল্পভাবে, আপনি ব্যবহার করতে পারেন স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সফটওয়্যার বা রোবট/ইএ যা আপনাকে সাহায্য করবে ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নিতে অথবা এমনকি পজিশন ওপেন এবং ক্লোজ করা করতে।

কীভাবে অনুমান করবো যে এক্সচেঞ্জ রেট কথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

অন্য সকল মার্কেটের মতো, ফরেক্স মার্কেটও চাহিদা এবং জোগানের বা সাপ্লাই এবং ডিমান্ডের ওপর চলেঃ
* বায়ারের পরিমাণ যদি সেলারের চেয়ে বেশী হয়, তাহলে প্রাইস ওপরে যাবে।
* সেলারের সংখ্যা যদি বায়ারের চেয়ে বেশী হয়, তাহলে প্রাইস নিচে নামবে।
অনেক বিষয় রয়েছে যা প্রতিটি কারেন্সির চাহিদা এবং জোগানের ওপর প্রভাব ফেলে এবং এর ফলে, অন্য কারেন্সির তুলনায় তার এক্সচেঞ্জ রেটের ওপর। উদাহরণস্বরূপ, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যদি অস্ট্রেলিয়ান জিডিপি আশার চেয়ে বেশী হয়, বাকি সবকিছু স্থির থাকলে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের দাম বাড়বে তার প্রতিপক্ষের তুলনায় এবং আপনি AUD/USD বাই করে লাভ করতে পারবেন। আপনি সকল গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ইকোনোমিক ক্যালেন্ডারে পাবেন।
এছাড়াও, আরও টেকনিক্যাল ট্যুলস এবং ইনডিকেটরও পাবেন। আপনি যখন আপনার ট্রেডিং টার্মিনালে কারেন্সি পেয়ারের চার্ট দেখবেন, তখন এটা ধরে নেয়া হয় যে ছাড়ত মার্কেটে উপলব্ধ সকল তথ্য দেখাচ্ছে। এর ফলে, আপনি পূর্বের প্রাইসের অ্যাকশনের ভিত্তিতে ভবিষ্যতের প্রাইস অনুমান করতে পারেন। এই ধারণা অনুযায়ী, পূর্ববর্তী হাই এবং লো গুরুত্বপূর্ণ লেভেল চিত্রিত করে যেখানে কারেন্সি পেয়ার ঘোরাফেরা করে এবং রিভার্স করতে পারে। এ ধরনের লেভেল যদি অতিক্রম করা হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে বড় ধরনের মুভমেন্ট হতে পারে আর বড় ধরনের মুভমেন্ট মানে ভালো লাভের সুযোগ। এছাড়াও, আপনি ট্রেন্ড চিহ্নিত করতে পারবেন- আপট্রেন্ড, ডাউনট্রেন্ড এবং সাইডওয়ে- এবং ট্রেন্ডের দিকে পজিশন ওপেন করে লাভ করতে পারেন।
যখন আপনি শুরু করবেন তখন আপনি এসব জিনিস সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে নিবেন।

Language »