Home / Forex Tips / স্কাল্পারদের জন্য দরকারী কিছু টিপস্

স্কাল্পারদের জন্য দরকারী কিছু টিপস্

স্ক্যাল্পিং হচ্ছে অল্প কিছু সময়ের জন্য ট্রেড নিয়ে প্রফিট হলেই ট্রেড ক্লোজ করা। আর নিউ কামারদের জন্য স্কাল্পিং ফরেক্স এর সবচেয়ে বিপদজনক স্ট্রাটেজি। ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জেনেও যেমন অনেকে ধুমপান করে। কিন্তু অনেক ট্রেডারই স্ক্যাল্পিং এর ভয়াবহতা জেনেও স্ক্যাল্পিং করে। কারণ স্কাল্পিং এ দ্রুত প্রফিট আসে। কিন্তু আবার একাউন্টও দ্রুত জিরো হয়ে যায়। তবে এটা অভিজ্ঞরা করতে পারে। কারণ তারা মার্কেট বুঝে এবং এক্সপার্টরা কিছু জিনিস মেনে চলেন বলে তারা হয়তো লসের মুখ তেমন দেখেন না। আমার অভিজ্ঞতা থেকে কিছু পয়েন্ট শেয়ার করলাম। যারা স্ক্যাল্পিং করেন তারা এগুলা মেনে চললে আশা করি ভাল করবেন। তবে নতুনদের স্ক্যাল্পিং না করাই ভালো। স্ক্যাল্পারদের দরকারি টিপসগুলো হলো-
১. স্টপলস ও টিপি ছাড়া স্ক্যাল্পিং না। লট সাইজ সহনীয় থাকতে হবে।
২. হায়ার টাইমফ্রেম দেখে পজিশন বুঝে শুধু বাই অথবা সেল এ থাকতে হবে। একবার বাই, একবার সেল দেয়ার চেয়ে ওভারউট থেকে সেল আর ওভারসোলড থেকে বাই দেয়া নিরাপদ। RSI ও স্টকাস্টিক ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে সেটা বুঝতে পারবেন।
৩. শুক্রবারে স্ক্যাল্পিং না করাই ভালো। কারণ শুক্রবার মার্কেট ক্লোজিং ডে। তাই সাধারণত সেদিন মার্কেট এর গতিবিধি বা ট্রেন্ড বুঝা যায় না; বরং মার্কেট এলোমেলোভাবে চলে। তাই সেদিন অনেক ট্রেডারের একাউন্টই জিরো হয়েছে, আর আমি এটা নিজেই দেখেছি। তারচেয়ে বরং ট্রেড মুক্ত থেকে ইবাদত বন্দেগীতে শুক্রবারটা কাজে লাগিয়ে আল্লাহর রহমত কামনা করাটা ভাল বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। কারণ আল্লাহর রহমত ছাড়া কোন কিছুই সম্ভব না।
৪. হাই ইমপেক্ট নিউজের ২ ঘণ্টা আগে ও পরে কোন স্কাল্পিং চলবে না।
৫. অন্য স্ট্রাটেজিতে ১:২ রিস্ক রিওয়ার্ড মানলেও স্কাল্পিং এ ২:১ ফলো করতে হয়। অর্থাৎ স্কাল্পিং এ ২০ পিপ স্টপলস আর ১০ পিপ টিপি দেওয়া ভালো। কারণ অনেক সময় স্টপলস হিট করে আবার টিপির দিকেই মার্কেট-এর গন্তব্য হয়। অবশ্য সেক্ষেত্রে রিস্ক হবে একাউন্টের .৫০% ২টা ট্রেডে ১% লস হলে সেদিনের জন্য ট্রেড অফ। অর্থাৎ সেদিনের মতো ট্রেড করা বন্ধ। পরদিন আবার চেষ্টা করুন।


৫. রেঞ্জি মার্কেট স্ক্যাল্পিং এর জন্য নিরাপদ। বিশেষ করে কোন নিউজ ইমপ্যাক্টে মার্কেট যখন ১৫০-২০০ পিপ পড়ে যাবে তখন শুধু বাই এ থাকি রিট্রেসমেন্ট নেয়ার জন্য এবং সেটা নিউজের অনেক পরে একটা পর্যায়ে মার্কেট যখন সাইডওয়েতে থাকে। সেক্ষেত্র স্টপলস হবে ওইদিনের লো থেকে ২০ পিপ নিচে। আর আপ হলে সেল এ থাকতে হবে সেম কন্ডিশনে।
৭. হায়ার টাইম ফ্রেম থেকে ডিরেকশন নিতে হবে। সেক্ষেত্রে RSI ও স্টকাস্টিক ইন্ডিকেটর আপনাকে সহায়তা করবে।
৮. স্ক্যাল্পিং এর সময় ট্রেন্ডলাইন একে মার্কেট আপট্রেন্ড না ডাউনট্রেন্ড সেটা বের করুন। আপট্রেন্ডে সাপোর্ট থেকে ডাউন ট্রেন্ডে রেজিস্টান্স থেকে এন্ট্রি নেয়ার চেষ্টা করুন।
৯. কখনো ভোলাটাইল সময় মার্কেটের বিপরীতে গিয়ে রিট্রেসের আশা করে ট্রেড নিবেন না। বরং মার্কেটে একটা নিউজ এর ইফেক্ট শেষ হয়ে গেল যখন সাইডওয়েতে চলে যাবে তখন স্ক্যাল্পিং করুন।
১০. কারেন্সি মিটার ফলো করবেন। কারণ কারেন্সি মিটার ফলো করলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন পেয়ার শক্তিশালী আর কোন পেয়ার দুর্বল। সব উপরের পেয়ারটি অর্থাৎ সর্বশীর্ষের পেয়ারটির পক্ষে এবং সর্বনিম্ন অবস্থানের পেয়ারটির বিপক্ষে ট্রেড নিতে পারেন।
১১. আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, মানি ম্যানেজমেন্ট মানতে হবে। না হলে ৯টা ট্রেডে প্রফিট করে ১০নং ট্রেডে একাউন্টটা জিরো হয়ে যেতে পারে।

Check Also

Daily Market Update 02 Jun 2021

EURUSD HIGH 1.22263 LOW 1.22066 BID 1.22089 ASK 1.22092 CHANGE 0.01% TIME 09:48:07 OUTLOOK SUMMARY …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Language »